ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১০:৩৭ পিএম
বিএনপির দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনি মাঠে নামলেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে দাদা-দাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেছেন।
বাবার স্মৃতি ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করে রুমিন ফারহানা তাঁর বাবা ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদের স্মৃতিচারণ করেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আমার বাবা এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছিলেন, কিন্তু পরে ফল পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। আমি আমার বাবার সেই স্মৃতিবিজড়িত এলাকা থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই শুরু করলাম।
জোট প্রার্থীর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তিনি খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে লড়বেন। জোটের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়েছে।জনগণের কাছে বিচারের আহ্বান গণমাধ্যমকে রুমিন ফারহানা বলেন আমি ১৭ বছর অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে যুদ্ধ করেছি। এলাকার মানুষের একটাই দাবি ছিল—জোট দিবেন না।
কিন্তু সেই আকুতি গ্রাহ্য করা হয়নি। আমার প্রতি যে অন্যায় হয়েছে, ভোটাররা ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দেবে। আমি নির্বাচন চালিয়ে যাব এবং আমার প্রতীক ‘হাঁস’ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।মনোনয়নপত্র সংগ্রহ: গত বুধবার রুমিন ফারহানার পক্ষে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই আসনটিতে জোট বনাম স্বতন্ত্র প্রার্থীর লড়াই এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে। বিএনপির তৃণমূলের বড় একটি অংশ রুমিন ফারহানার পক্ষে অবস্থান নিতে পারে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন