সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শামা ওবায়েদের নামে তদবির বন্ধে প্রশাসনের সতর্কতা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মার্চ ১৪, ২০২৬, ১১:৩৫ এএম

শামা ওবায়েদের নামে তদবির বন্ধে প্রশাসনের সতর্কতা

সতর্ক শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের নাম ব্যবহার করে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা বা তদবির বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সরকারি প্যাডে একটি আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারির মাধ্যমে নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার সকল সরকারি দপ্তরকে এই বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়। 

সংশ্লিষ্ট দুই উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে পাঠানো ওই চিঠিতে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে তার নাম ভাঙিয়ে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা গুরুত্বসহকারে যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দিতে সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে যে বেশ কিছু সরকারি অফিসে প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে অনৈতিক সুপারিশ বা বিশেষ সুবিধা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়ার পর এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি যদি প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে কোনো কাজের জন্য সুপারিশ করেন তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উচিত হবে সেই তথ্যের সত্যতা দ্রুত যাচাই করা। নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে এই সতর্কবার্তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের আস্থা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতেই তিনি এই প্রশাসনিক সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি মনে করেন জনগণের সেবার ক্ষেত্রে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। কেউ যেন প্রভাব খাটিয়ে বা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অন্যায্য কোনো সুবিধা না নিতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতেই সকল সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রীর এমন সজাগ অবস্থানের কারণে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ সচেতনতা তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে যা সরকারি দপ্তরগুলোতে অনিয়ম রোধে সহায়ক হবে।