রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

আ. লীগের ছিল বঙ্গবন্ধু, এ সরকারের কার্ডবন্ধু: রাশেদ প্রধান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১৩, ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম

আ. লীগের ছিল বঙ্গবন্ধু, এ সরকারের কার্ডবন্ধু: রাশেদ প্রধান

চট্টগ্রামে ১১ দলের সমাবেশ

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি তথা জাগপার সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুঁজি ছিল বঙ্গবন্ধু আর এই বর্তমান সরকারের মূল পুঁজি হচ্ছে কার্ডবন্ধু। একই সঙ্গে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি দাবি করেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথাবার্তা শুনলে মনে হয় তিনি বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, বরং তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। 

শনিবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের এক গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে এই বিশাল রাজনৈতিক সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়।দেশের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি বিবেচনা করে জনগণের প্রকৃত গণরায়ের বাস্তবায়ন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে এই সমাবেশের ডাক দেয় ১১-দলীয় ঐক্য। 

এই সমাবেশে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতা ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিএনপিকে লক্ষ্য করে বলেন যে শহীদ ওসমান হদি সব সময় সমাজে ন্যায়-ইনসাফ নিয়ে কথা বলেছেন। তাই ভবিষ্যতে আপনারা ক্ষমতায় গিয়ে তাঁর হত্যার সুনির্দিষ্ট বিচার করবেন না, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।এর আগে দুপুরের দিকে লালদীঘি ময়দানে ১১ দলের এই বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে সশরীরে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের অন্যতম বিরোধীদলীয় নেতা ডাক্তার শফিকুর রহমান। 

সমাবেশে উপস্থিত অন্য বক্তারা দেশের চলমান রাজনৈতিক সংস্কার এবং বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। জামায়াত, জাগপাসহ জোটের স্থানীয় শীর্ষ নেতারা দীর্ঘ সময় পর একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আন্দোলনের নতুন রূপরেখা নিয়ে সাধারণ মানুষের সামনে বক্তব্য দেন।

বিদ্যমান সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট নিরসনে এই জোটের দলগুলো আগামীতে আরও বড় যৌথ কর্মসূচি ঘোষণা করার ইঙ্গিত দিয়েছে। সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত মাঠের আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।