রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,
উপনির্বাচনী প্রচারণা

ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে জয়ী হলে খোলা বাজারে সার বিক্রির প্রতিশ্রুতি ফয়সলের

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১১, ২০২৬, ০৯:২১ পিএম

ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে জয়ী হলে খোলা বাজারে সার বিক্রির প্রতিশ্রুতি ফয়সলের

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কৃষকদের দুর্ভোগ লাঘবে খোলা বাজারে সার বিক্রির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন। রোববার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী পথসভা ও মতবিনিময় বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

কৃষকদের চলমান সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

পথসভায় তিনি বলেন, কৃষকরা বর্তমানে সারের জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। জনগণের ভোটে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলে কৃষকদের এই কষ্ট দূর করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফয়সল আমিন তার বড় ভাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পূর্ববর্তী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি বহু দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন। এর মধ্যে ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠা এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ অন্যতম। শিগগিরই জেলায় একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বড় অঙ্কের সরকারি বরাদ্দের তথ্য জানান এই প্রার্থী।

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের গ্রামীণ জনপদের সার্বিক উন্নয়নে তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে। এই অর্থে রাস্তাঘাট, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি ধর্মীয় উপাসনালয় হিসেবে মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা হবে। এছাড়া নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম ইতিমধ্যে চালু হয়েছে এবং প্রান্তিক চাষিদের জন্য কৃষক কার্ডের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভোটারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি মন্তব্য করেন, সরকারদলীয় সংসদ সদস্য না থাকলে এলাকার উন্নয়নকাজের জন্য বাজেট বা বরাদ্দ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। নিজের পৌর মেয়র থাকাকালীন অতীত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে মেয়রের দায়িত্ব পালন করলেও রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে তিনি প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাননি। ভোটের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর ব্যক্তি ও এলাকার সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন।