সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬,
কূটনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সম্পর্ক বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৯, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সম্পর্ক বাণিজ্য ও সহযোগিতা বাড়ানোর তাগিদ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ও বিরোধীদলীয় নেতা।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে এ সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তান হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার মুহাম্মাদ ওয়াসিফ এবং পলিটিক্যাল কাউন্সেলর কামরান দাংগাল অংশ নেন। অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

আলোচনায় দুই দেশের অতীতমুখী জটিলতা কাটিয়ে ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার নানা দিক গুরুত্ব পায়।

সম্পর্ক ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে বলে জানান হাইকমিশনার।

ইমরান হায়দার উল্লেখ করেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একটি আধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী রূপ দিতে তাঁর দেশ আন্তরিকভাবে আগ্রহী। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরই মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে একাধিকবার সফর বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে।

বৈঠকে হাইকমিশনার বিরোধীদলীয় নেতাকে তাঁদের ‍‍`নলেজ করিডোর‍‍` প্রকল্পের চলমান অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন।

শিক্ষাবিদদের সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফর নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করে দেশটির উন্নত শিক্ষাকাঠামো ও সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছে। ওই সফরে প্রতিনিধিদল সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও সরাসরি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় যৌথ অংশীদারত্ব বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।

নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিরা।