সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬,

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন: মাউশির কঠোর নির্দেশনা জারি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ১৯, ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির তথ্য এন্ট্রি ও সংশোধন: মাউশির কঠোর নির্দেশনা জারি

ছবি: দিনাজপুর টিভি গ্রাফিক্স

রাজস্ব খাতভুক্ত মেধা ও সাধারণ বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি পাঠাতে তথ্য নির্ভুলভাবে এন্ট্রি ও সংশোধনের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) মাউশির কলেজ ও প্রশাসন শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাউশির রাজস্ব খাতভুক্ত বিভিন্ন শ্রেণির মেধা ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে সাধারণ শিক্ষায় অধ্যয়নরত বৃত্তিপ্রাপ্তদের জন্য এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।

ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পৌঁছানোর লক্ষ্যে এমআইএস সফটওয়্যার সক্রিয় করা হয়েছে।

আবেদনের সময়সীমা ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

মাউশির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ওয়েব লিংকে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি, পূর্বে এন্ট্রিকৃত তথ্য সংশোধন এবং ব্যাংক সংক্রান্ত জটিলতায় বাউন্স হওয়া তথ্য সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থীর তথ্য ইতিপূর্বে কোনো কারণে সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি, তাদের নতুন তথ্যও এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এন্ট্রি করার সুযোগ থাকছে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত ত্রুটি সংশোধনে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক বা শাখার নাম ভুল থাকা, রাউটিং নম্বর বা হিসাব নম্বরে গরমিল থাকা অথবা অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকার কারণে যেসব শিক্ষার্থীর বৃত্তির অর্থ বাউন্স হয়েছে, তাদের ব্যাংক তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট সচল করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

সঠিকতা নিশ্চিত করতে দুই শিক্ষককে দায়িত্ব দিতে হবে।

মাউশি জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে আবশ্যিকভাবে নিজ প্রতিষ্ঠানের দুজন শিক্ষককে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দিতে হবে।

কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য এন্ট্রি বা তথ্য সংশোধনে কোনো প্রকার ভুলত্রুটি, অনিয়ম কিংবা অবহেলা পরিলক্ষিত হলে তার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা সরাসরি ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।