নভেম্বর ৬, ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকার ৭ নভেম্বরের চেতনার প্রতি ভীত হয়ে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন বন্ধ করে দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ঘিরে দলের বিস্তারিত কর্মসূচি তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ৭ নভেম্বরের চেতনার প্রতি ভীত হয়ে দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন বন্ধ করেছিল। তবে বিএনপি এবং সমমনা দলগুলো এতদিন এই দিবসটি পালন করে আসছে। এবার দীর্ঘদিন পর আবারও রাষ্ট্রীয় ও জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
আগামীকাল শনিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা করবে বিএনপি। এদিন বিকেল তিনটায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান, শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্যের পর আনুষ্ঠানিকভাবে শোভাযাত্রা শুরু হবে।
নির্ধারিত রুট সম্পর্কে তিনি জানান, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।
এর আগে সকাল সাড়ে আটটায় দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রুহুল কবির রিজভী আরও জানান, গত ৫ নভেম্বর থেকে বিএনপির সাত দিনের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, পোস্টার প্রকাশসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে। ৭ নভেম্বরের চেতনায় বিশ্বাসী অন্যান্য রাজনৈতিক দল, জোট, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংগঠনও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন