মে ৪, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
ইসলামে সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কোরবানি আদায় করা ওয়াজিব এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যার কাছে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবে, তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক। পবিত্র কোরআনের সুরা কাওসারে মহান আল্লাহ নামাজের পাশাপাশি কোরবানি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
কোরবানির পশুর বিষয়ে ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার জানান, উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। তবে গৃহপালিত পশু ছাড়া অন্যান্য বন্য পশু যেমন হরিণ বা বন্যগরু দ্বারা কোরবানি করা ইসলামি শরিয়তে বৈধ নয়।
এ ক্ষেত্রে সামর্থ্যবানদের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মে পশু জবাই করা একটি ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা।রাসুলুল্লাহ (সা.) এই ইবাদতের ফজিলত সম্পর্কে হজরত ফাতেমা (রা.)-কে জানিয়েছিলেন যে, কোরবানির প্রথম রক্তবিন্দু প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহ তায়ালা গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।
এই বিশেষ ফজিলত শুধু আহলে বায়তের জন্য নয়, বরং সকল মুসলিমের জন্যই প্রযোজ্য বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা এই ইবাদত পালন করেন না, তাদের ব্যাপারে হাদিস শরিফে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যার কোরবানির সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তা করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহে না আসে। মূলত ১০ থেকে ১২ জিলহজের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিকের ওপর এই কোরবানি ওয়াজিব হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন