অক্টোবর ৩, ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ ইবাদত পালন করা আবশ্যক। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হয়। ফরজের হিসাব দিলেই তবে আল্লাহ তায়ালা অন্য ইবাদতের হিসাব গ্রহণ করবেন। ফরজের পাশাপাশি নফল ইবাদত করাও জরুরি, কারণ নফল ইবাদত মানুষের আমলনামার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং তা বান্দাকে আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় করে তোলে।
নফল ইবাদত কিয়ামতের দিন বিশেষ কাজে আসবে। যদি কোনো বান্দার ফরজের ঘাটতি দেখা দেয়, তাহলে আল্লাহ তায়ালা নফলের মাধ্যমে তা পূরণের চেষ্টা করবেন। এজন্য নফল ইবাদতের গুরুত্ব অপরিসীম। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। ফরজে কোনো ঘাটতি দেখা দিলে আল্লাহ তায়ালা বলবেন, দেখতে হবে বান্দার কোনো নফল ইবাদত আছে কি না, যা দিয়ে ফরজের ঘাটতি পূরণ করা যায়।
সুস্থ ও শক্তি-সামর্থ্য থাকলে নফল নামাজ দাঁড়িয়ে আদায় করাই উত্তম। অবশ্য কোনো বিশেষ সমস্যা না থাকলেও নফল নামাজ বসে আদায় করা জায়েজ রয়েছে। তবে দাঁড়িয়ে আদায় করলে যে সওয়াব পাওয়া যায়, কোনো শারীরিক সমস্যা ছাড়া বসে নফল আদায় করলে তার অর্ধেক সওয়াব অর্জিত হবে। সহিহ বুখারি শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) রাসুলকে (সা.) বসে নামাজ আদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান যে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করাই উত্তম, আর বসে আদায় করলে দাঁড়িয়ে আদায়কারীর অর্ধেক সওয়াব পাওয়া যাবে।
তবে মনে রাখতে হবে, কোনো কারণ বা শারীরিক সমস্যা ছাড়া ফরজ ও ওয়াজিব নামাজ বসে আদায় করা জায়েজ নয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন