রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মার্সেইকে আক্ষেপে পুড়িয়ে ফরাসি সুপার কাপ পিএসজির

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

মার্সেইকে আক্ষেপে পুড়িয়ে ফরাসি সুপার কাপ পিএসজির

পুরোনো বছরের সাফল্যের রেশ ধরেই নতুন বছরেও শিরোপা উৎসবে মাতল প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি)। ফরাসি সুপার কাপের শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মার্সেইকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে লুইস এনরিকের শিষ্যরা। নির্ধারিত সময়ে ২-২ গোলে সমতার পর টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে জয় পায় প্যারিসিয়ানরা।

এই জয়ে টানা চতুর্থ এবং রেকর্ড ১৪ বারের মতো ফরাসি সুপার কাপ জেতার গৌরব অর্জন করল পিএসজি। অন্যদিকে, ২০১১-১২ মৌসুমের পর থেকে শিরোপাহীন থাকা মার্সেইয়ের আক্ষেপ আরও দীর্ঘ হলো। জয়ের খুব কাছে গিয়েও তরী ডুবল তাদের।

ম্যাচের শুরুটা ছিল পিএসজির নিয়ন্ত্রণে। ১৩তম মিনিটে উসমান দেম্বেলের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধ শেষ হয় এই ব্যবধানেই।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় মার্সেই। ৭৬তম মিনিটে ম্যাসন গ্রিনউডের সফল স্পট-কিকে সমতায় ফেরে দলটি। এরপর ৮৭তম মিনিটে পিএসজি ডিফেন্ডার উইলিয়ান পাচোর আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে শিরোপার সুবাস পাচ্ছিল মার্সেই।ম্যাচের ভাগ্য যখন প্রায় নির্ধারিত মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে আসেন গনজালো রামোস। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে (৯০+৫) ভিতিনিয়ার মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বল হেড করে ছয় গজ বক্সে পাঠান ব্রাডলি বার্কোলা। সেখান থেকে ভলিতে বল জালে জড়িয়ে পিএসজিকে ২-২ সমতায় ফেরান বদলি নামা পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রামোস।

ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে নায়ক বনে যান পিএসজির তরুণ গোলরক্ষক লুকা শুভালিয়ে। মার্সেইয়ের দুটি শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। পিএসজির হয়ে শট নেওয়া রামোস, ভিতিনিয়া, নুনো মেন্দেস ও দিজিরে দুয়ে—সবাই লক্ষ্যভেদ করলে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে শিরোপা নিশ্চিত হয় পিএসজির। গত আগস্টে পিএসজির হয়ে অভিষেকেও দলের ট্রফি জয়ে নায়ক ছিলেন এই ফরাসি গোলরক্ষক।