জুন ২৮, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম
বিশ্বকাপের মর্যাদাপূর্ণ নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পর এবার মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি জাপান। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে জয়ী দল পরবর্তী ধাপে নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্টের মুখোমুখি হবে।মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে ফুটবল পরিসংখ্যানের চুলচেরা বিশ্লেষণে লাতিন আমেরিকার দল ব্রাজিলই বেশ এগিয়ে রয়েছে।
একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া পরিসংখ্যান সংস্থার সুপার কম্পিউটারের ২৫ হাজার সিমুলেশনে দেখা গেছে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা ৫৭ দশমিক ৭ শতাংশ। বিপরীতে জাপানের সরাসরি জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১৮ শতাংশ এবং ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সুযোগ রয়েছে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে টানা ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল। ২০০২ সালের বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম টানা সাত গোল করার এবং কোনো গোল হজম না করার দীর্ঘ ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে তারা।
চোট কাটিয়ে দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরে আক্রমণভাগে নতুন শক্তি জুগিয়েছেন তারকা ফুটবলার নেইমার এবং এই ম্যাচে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের ইতিহাসে চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অনন্য কীর্তি গড়বেন তিনি। গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত খেললেও নকআউট পর্বের সাম্প্রতিক ইতিহাস কিন্তু ব্রাজিলের পক্ষে কথা বলছে না। নিজেদের শেষ ছয়টি নকআউট ম্যাচের চারটিতেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের, যদিও ১৯৯০ সালের পর থেকে প্রথম নকআউট রাউন্ডে কখনো হারেনি সেলেসাওরা।
অন্যদিকে ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে এখন পর্যন্ত নকআউট পর্বে কোনো ম্যাচ জিততে না পারার আক্ষেপ ঘোচাতে মরিয়া হাজিমে মোরিয়াসুর জাপান। গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের সঙ্গে ড্র এবং তিউনিসিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে তারা। দলের অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো ও তারকা উইঙ্গার কাওরু মিতোমা চোটে পড়ে ছিটকে গেলেও দলটি টানা ১০ ম্যাচে অপরাজিত থাকার গৌরব ধরে রেখেছে। দুই দলের মোট ১৪টি মুখোমুখি দেখায় ব্রাজিল ১১টিতে জিতলেও গত অক্টোবরে টোকিওর প্রীতি ম্যাচে জাপান ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন