সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬,
ভারতীয় ক্রিকেট

রোহিত ৯২ রানে আউট হওয়ায় হতাশ গাভাস্কার

স্পোর্টস ডেস্ক

অক্টোবর ৪, ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম

রোহিত ৯২ রানে আউট হওয়ায় হতাশ গাভাস্কার

টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে থেকে মাত্র ৮ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন রোহিত শর্মা। সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আউট হয়েছেন ৯২ রানে।

তার এই আউটে দারুণ হতাশ হয়েছেন স্বদেশি কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। তার আশা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সময় রোহিত যেন নিজের বয়সের চেয়ে বেশি সংখ্যক সেঞ্চুরি করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রোহিত ও বিরাট কোহলি এখন কেবল ওয়ানডে ফরম্যাটেই খেলছেন। তাদের মূল লক্ষ্য ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর পুরোপুরি জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখা। ওই সময় রোহিতের বয়স হবে ৪০ বছর। আর ওয়ানডেতে তার বর্তমান সেঞ্চুরি সংখ্যা ৩৫টি, যা গতকাল ৩৬ হতে পারত!

আগের দুটি ওয়ানডে জিতে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করেছিল ভারত। মুল্লানপুরে গতকালের ম্যাচে তাই সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর মিশনে নেমেছিল। তাতে তারা সফলও হয়েছে। ভারতের দেওয়া ৩৫২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় উইন্ডিজরা অধিনায়ক শাই হোপের ১৬২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৫ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে। এর আগে ভারতের পক্ষে লোকেশ রাহুল ১২৯ এবং রোহিত ৮৫ বলে করেন ৯২ রান।

ওই ম্যাচের পর হতাশা প্রকাশ করে সুনীল গাভাস্কার বলেন, রোহিত ৯২ রানে আউট হওয়ায় আমি হতাশ হয়েছি। কারণ সে সেঞ্চুরিটি পায়নি। এ ছাড়া ২০২৭ আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর হয়তো সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেবে। আর ওই সময়ে সে যখন খেলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেবে, আমি ব্যক্তিগতভাবে চাইব যেন তার বয়সের চেয়ে ওয়ানডে সেঞ্চুরির সংখ্যা বেশি হয়। তৃতীয় ওয়ানডেতে সে যদি ৩৬তম সেঞ্চুরি পেত তাহলে সেই মাইলফলকের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে পারত।

অবশ্য এমন আক্ষেপ নিয়েই নিজের ক্যারিয়ারের ইতি টানতে হয়েছিল সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ককে। তিনি জানান, কোনো খেলোয়াড়ের বয়সের চেয়ে সেঞ্চুরির সংখ্যা বেশি হলে সেটি আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এটি তাদের ক্যারিয়ারের ধরন এবং দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখা মানদণ্ডকেই তুলে ধরে। ঠিক এ কারণেই আমি চাই রোহিত সেই মাইলফলক স্পর্শ করুক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমার শেষ বছরে চেয়েছিলাম নিজের বয়সের সমান সংখ্যক টেস্ট সেঞ্চুরি করতে। কিন্তু আমি তিনবারই ৯০-এর ঘরে আউট হয়েছি।

যদি সেই সেঞ্চুরিগুলো পেতাম, তবে আমার সেঞ্চুরির সংখ্যা অবসরের সময়ের বয়সের সমান হতো। অবসরের সময় গাভাস্কারের বয়স ছিল ৩৮ বছর।