সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫, ১০:১৫ পিএম
দিনাজপুরের কৃষকদের মধ্যে আমন ধানের পোকা দমনের জন্য পার্চিং পদ্ধতি দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই বছর সদর উপজেলার প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষক এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তাদের ধানক্ষেতের পোকা দমনে সফল হয়েছেন। পার্চিং পদ্ধতি হলো ধানক্ষেতে বাঁশের কঞ্চি বা গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া, যাতে পাখিরা সেগুলোতে বসে ফসলের ক্ষতিকর পোকা খেয়ে ফেলে।
এটি একটি ব্যয়বিহীন, পরিবেশবান্ধব এবং কীটনাশকমুক্ত পদ্ধতি।সদর উপজেলা কৃষি দপ্তরের মাঠ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, এই বছর উপজেলায় ২২ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দিনাজপুর আঞ্চলিক কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রবিউল হাসান বলেন, ঘাসফড়িং, চুঙ্গি, পাতা মোড়ানো এবং মাজরা পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকরা পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছেন।কৃষক ফরিদুক ইসলাম ও সোলাইমান আলী বলেন, ক্ষেতের মধ্যে পুঁতে রাখা ডালে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি যেমন দোয়েল, ফিঙে ও শালিক বসে পোকা খেয়ে ফেলছে। এতে তারা ভালো ফলন পাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ জানান, পার্চিং পদ্ধতি কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে রক্ষা করছে এবং জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানান, এবার অনুকূল আবহাওয়া এবং কৃষি বিভাগের সহযোগিতার কারণে কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন