সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

সাজিদ ১০০ ফুট নিচে থাকলেও উদ্ধার অভিযান চলবে: ফায়ার সার্ভিস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৪:৩৫ পিএম

সাজিদ ১০০ ফুট নিচে থাকলেও উদ্ধার অভিযান চলবে: ফায়ার সার্ভিস

রাজশাহীর তানোরে সরু গর্ত দিয়ে মাটির গভীরে পড়ে যাওয়া দুই বছরের শিশু সাজিদকে ৪৫ ফুট গভীর পর্যন্ত খনন করেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বেলা ১টা ২০ মিনিটে গর্ত থেকে উঠে আসেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

তবে উদ্ধার অভিযান থামানো হবে না বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে থাকা ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

শিশুটি এরই মধ্যে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গর্তের ভেতর আছে এবং উদ্ধারকারী দলের এই ঘোষণা পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষীণ হলেও নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, তারা ৪৫ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটিকে পাননি। এখন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে তারা কথা বলবেন। উদ্ধার অভিযান চলবে কি না—জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হ্যাঁ, অভিযান চলবে। যদি মাটির ১০০ ফুট নিচেও থাকে, এভাবেই খনন করতে হবে। আমি না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করতেই থাকব। আমাদের ক্যাপাসিটি কত, সেটি বিষয় না।’ তিনি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেন।

গতকাল বুধবার তানোরের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা ৮ ফুট ব্যাসার্ধের সরু গর্ত দিয়ে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। এর পর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সরু গর্তটির পাশে বড় আকারের গর্ত খনন করা হয় এক্সক্যাভেটর দিয়ে এবং সেই খননকৃত গর্ত সরু গর্তের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার পরও সাজিদকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, এলাকাটি উচ্চ খরাপ্রবণ।

মাটির অনেক গভীরেও পানি পাওয়া যায় না বলেই গভীর নলকূপ স্থাপনের আগে বিভিন্ন স্থানে বোরিং করে পানির অস্তিত্ব দেখা হয়েছিল এবং পানি না পাওয়ায় গর্তটি ফেলে রাখা হয়। সাধারণত এ ধরনের গর্তের গভীরতা ১০০ থেকে ১৫০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। শিশু সাজিদের অবস্থান জানতে আবারো ক্যামেরা নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।