রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

তিস্তার পানি বাড়ায় রংপুরে সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ২১, ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম

তিস্তার পানি বাড়ায় রংপুরে সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন

ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। এর ফলে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় অবস্থিত দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধে মারাত্মক ভাঙন শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেল থেকে আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত নদীর তীব্র স্রোতে বাঁধের অন্তত ৫০ মিটার অংশ সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।ভাঙনের ফলে বাঁধের ওই ক্ষতিগ্রস্ত অংশে বর্তমানে ৭০ মিটারের চেয়েও বেশি গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে এই ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় মহিপুর তিস্তা সড়ক সেতু এবং রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কটি যেকোনো সময় মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। প্রতিদিন এই সড়ক সেতুটি ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গের দুই জেলার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার সাধারণ মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন।

হঠাৎ শুরু হওয়া এই নদী ভাঙনে পুরো নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে রংপুর ও লালমনিরহাটের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কার পাশাপাশি লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের এক হাজারের বেশি পরিবার সরাসরি চরম হুমকির মুখে রয়েছে। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, গত বছর যখন সেতু রক্ষা বাঁধটিতে প্রথম ভাঙন ধরেছিল তখন আমরা এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে ব্লক দিয়ে স্থায়ীভাবে ভাঙন ঠেকাতে অনুরোধ করেছিলাম।

কিন্তু বা তৎকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সেই পরামর্শ না শুনে প্রায় ১৪ লাখ টাকা সরকারি অর্থ ব্যয় করে কেবল নামমাত্র বাঁশের পাইলিং করেছিলেন। গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, তিনি ইতোমধ্যে ভাঙন কবলিত দুর্যোগপূর্ণ ঘটনাস্থল সশরীরে পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছেন।