জুলাই ২০, ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য দিন দিন উদ্বেগজনক হারে কমছে। কয়েক মাস আগেও এই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করত, কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ২০ থেকে ২৫টিতে। এতে বন্দরের দৈনন্দিন আয় যেমন কমেছে, তেমনি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বন্দরের কয়েকশ শ্রমিক।রাজস্ব আদায়েও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
আমদানি কমায় সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। চলতি অর্থবছর হিলি স্থলবন্দরের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল এক হাজার ৪৬ কোটি টাকা। কিন্তু বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫৯৮ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরও এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ কোটি টাকা।
বন্দরের আমদানিকারক মতিউর রহমান লবু জানান, ডলারের উচ্চমূল্য এবং ভারতীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানিকারকরা আশানুরূপ লাভ করতে পারছেন না। লোকসানের আশঙ্কায় অনেকেই আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। এর পাশাপাশি পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে কাস্টমসের বিভিন্ন জটিলতাকে আমদানিকারকরা বন্দর বাণিজ্যে ভাটা পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ব্যবসায়ীদের এই অভিযোগ অস্বীকার করে হিলি কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন বলেন, এলসির সংখ্যা কমে যাওয়া এবং অধিক শুল্কযুক্ত পণ্য আমদানি হ্রাস পাওয়ায় এই মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। ফলে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। ব্যবসা সচল করতে আমদানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন