রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,
সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা

জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট সচল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট সচল

সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ রাখার পর আবারও সচল হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ব্যাংকটির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা সম্ভব হয়। তবে প্রযুক্তিগত জটিলতা কাটিয়ে ঠিক কোন সময়ে এটি পুরোপুরি উন্মুক্ত করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। অনাকাঙ্ক্ষিত এই সাময়িক অসুবিধার কারণে গ্রাহক ও সেবাগ্রহীতাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে জনতা ব্যাংক পিএলসি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে সাইবার হামলার ঝুঁকি প্রতিরোধে পোর্টালটি বন্ধ রাখা হলেও পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়ায় সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ বা ‍‍`অ্যাটাকের চিহ্ন‍‍` দেখতে পান প্রযুক্তি কর্মকর্তারা।

নিরাপত্তা পর্যালোচনার কারণে ওয়েবসাইটটি চালু করতে বাড়তি সময় প্রয়োজন হয়। ফলে রোববার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সাধারণ গ্রাহকরা ওয়েবসাইটে ঢুকতে পারেননি। ব্যাংকের প্রযুক্তি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কার্যক্রমে দুটি সাইবার আক্রমণের আলামত শনাক্ত হওয়ায় সেগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ত্রুটিমুক্ত করতে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।

একই নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল পোর্টালটিও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

রোববার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানানো হয়েছে, সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস হওয়ায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও নিরবচ্ছিন্ন নজরদারির সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় নিয়েই সেবাটি পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

সার্বিক এই অচলাবস্থার মূলে ছিল বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ছিদ্র। এই দুর্বলতাকে পুঁজি করে বড় ধরনের সাইবার বিপর্যয় ঘটতে পারে জানিয়ে বৈশ্বিক সতর্কতা জারি করেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‍‍`এনিসা‍‍` এবং সমগোত্রীয় আন্তর্জাতিক সাইবার দলগুলো।

গত ২১ অক্টোবর প্রচারিত যৌথ নিরাপত্তা নির্দেশনায় তারা জানায়, ওই ত্রুটিকে কাজে লাগিয়ে অননুমোদিত হামলাকারীরা লক্ষ্যবস্তু সার্ভারে ঢুকে ধ্বংসাত্মক ও ক্ষতিকর কোড চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। জরুরি ভিত্তিতে সিকিউরিটি প্যাচ বা হালনাগাদ প্রয়োগ করা সম্ভব না হলে ঝুঁকিপূর্ণ ওয়েব অবকাঠামোগুলো সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার আনুষ্ঠানিক পরামর্শ দিয়েছিল সংস্থাগুলো।