রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার, মানতে হবে যেসব জরুরি নির্দেশনা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ০৬:১৭ পিএম

মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার, মানতে হবে যেসব জরুরি নির্দেশনা

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা আগামী শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দেশের ১৭টি কেন্দ্র ও ৪৯টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। এই বছর মেডিকেল পরীক্ষা কিছুটা বর্ধিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৮টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না; সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে গেট বন্ধ হয়ে যাবে।

এই বছর ভর্তি পরীক্ষার মোট সময় ১৫ মিনিট বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট ধরে।পাস নম্বর: পরীক্ষার্থীদের পাস করতে হলে কমপক্ষে ৪০ নম্বর পেতে হবে।নেগেটিভ মার্কিং: প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর পাওয়া যাবে, তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন এইচএসসি বা সমমান সিলেবাস অনুযায়ী করা হবে। বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন নিম্নরূপ: জীববিজ্ঞান ৩০, রসায়ন ২৫, পদার্থবিজ্ঞান ১৫, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, প্রবণতা ও মানবিক গুণাবলি মূল্যায়নে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে।

সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে পরীক্ষার্থীদের জন্য কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে:প্রবেশাধিকার: পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই স্বচ্ছ ব্যাগে রঙিন প্রবেশপত্র, কালো কালির স্বচ্ছ বলপয়েন্ট কলম, এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র অথবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে আসতে হবে।নিষিদ্ধ সামগ্রী: মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ঘড়ি, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী বা অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টাল কলেজে মোট আসন রয়েছে ১৩ হাজার ৫১টি। এর মধ্যে সরকারি মেডিকেল কলেজে ৫ হাজার ১০০ এবং ডেন্টাল ইউনিটে ৫৪৫টি আসন রয়েছে। বেসরকারি খাতে এমবিবিএস কোর্সে ৬ হাজার ১টি এবং বিডিএস কোর্সে ১ হাজার ৪০৫টি আসন রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত যেকোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হতে পরীক্ষার্থীদের অনুরোধ করেছে এবং দাবি করেছে যে, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।