রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

এইচএসসি প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশন শুরু

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ৬, ২০২৬, ১২:০১ পিএম

এইচএসসি প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশন শুরু

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে তাদের রেজিস্ট্রেশন বা ইএসআইএফ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের পর আবেদনের আর কোনো সুযোগ থাকবে না বলে বোর্ডের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী ২০২১ সাল বা তার আগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তারা এবার এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। 

যারা ২০২০ সাল বা তার আগের বছরগুলোতে এসএসসি উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবল তারাই এই বিশেষ সুযোগের আওতায় আসবেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বা মাদরাসা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের মাধ্যমে আগে ভেরিফাইড বা যাচাই করিয়ে নিতে হবে।এবারের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীর তালিকাভুক্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১০০ টাকা। 

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ শেষ করে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে পূরণকৃত ফরম এবং নম্বরপত্রের মূল কপি সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে। তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, সঠিক প্রক্রিয়ায় ফরম জমা না দিলে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ইস্যু করা সম্ভব হবে না। তাই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই সব দাপ্তরিক কাজ শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরবর্তী ধাপ হিসেবে প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড আগামী ২২ এপ্রিল বোর্ড থেকে বিতরণ করা হবে। 

তবে কার্ড হাতে পাওয়ার পর যদি তথ্যে কোনো ভুল লক্ষ্য করা যায়, তবে ২৩ এপ্রিলের মধ্যেই তা সংশোধন করে নিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো প্রকার সংশোধন বা নতুন আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে না। মূলত ঝরে পড়া শিক্ষার্থী এবং যারা নিয়মিতভাবে কলেজে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি, তাদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতেই এই বিশেষ রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।