সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৬:১৬ পিএম
অভিনেতা হওয়ার কোনো ইচ্ছে না থাকলেও ভাগ্যের মোড় আর পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েন যীশু সেনগুপ্তকে নিয়ে আসে অভিনয় জগতে। একসময় ক্রিকেট খেলতেন, ড্রাম বাজাতেন, আর সন্ধ্যায় পকেট মানি জোগাড় করতেন। সেই যীশু আজ টলিউড ছাড়িয়ে বলিউড ও সাউথ ইন্ডাস্ট্রির এক ব্যস্ত তারকা।
থিয়েটার অভিনেতা উজ্জ্বল সেনগুপ্তের পরিবারে ১৯৭৭ সালে জন্ম নেওয়া যীশুর শৈশব কেটেছে নানা অভাব-অনটনে।আর্থিক প্রয়োজনেই ক্রিকেট ও ড্রাম বাজানো ছেড়ে দিতে হয়েছিল যীশুকে। ১৯৯৮ সালে টেলিভিশন শো ‘মহা প্রভু’-তে অভিনয়ে পা রাখার সময় তার প্রতিদিনের পারিশ্রমিক ছিল মাত্র ২৫০ রুপি।
সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, "প্রতিদিন ২৫০ রুপি আমার কাছে বিশাল ছিল। এটি একটি ডেইলি সোপ ছিল, তাই আমাকে ক্রিকেট ও ড্রাম ছেড়ে দিতে হয়েছিল।"
‘মহা প্রভু’ শোটি সুপারহিট হওয়ার পরই যীশু হয়ে ওঠেন বাংলার টিভির প্রথম সুপারস্টার এবং কলকাতার ‘হৃত্বিক রোশন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ধীরে ধীরে তার আর্থিক উন্নতিও আসতে থাকে—ভাঙা ফ্রিজ বদলে যায়, ঘর রং হয়, বাথরুম আধুনিক হয়।
নিজের শুরুর দিনগুলো নিয়ে যীশু বলেন, "আমার কাছে তা সংগ্রাম মনে হয়নি। কাজ করছিলাম, অর্থ উপার্জন করছিলাম। আমরা সাধারণ ছিলাম, তাই টাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।"
এরপর একে একে টলিউড থেকে বলিউড এবং দক্ষিণি সিনেমা—সবখানেই সফলতার ছাপ রেখেছেন যীশু সেনগুপ্ত। জীবনের ওঠানামা দেখা এই অভিনেতা এখন তাঁর সফলতায় কৃতজ্ঞ। তার ভাষ্যে, "যদি আগামীকাল আমার মৃত্যু হয়, আমার কোনো আফসোস থাকবে না।"


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন