রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মাথা ব্যথার লক্ষণ দেখে যেভাবে বুঝবেন এটি মাইগ্রেন নাকি টিউমার

স্বাস্থ্য ডেস্ক

জুন ১৯, ২০২৬, ১১:১৮ এএম

মাথা ব্যথার লক্ষণ দেখে যেভাবে বুঝবেন এটি মাইগ্রেন নাকি টিউমার

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মাথা ব্যথা হলেই সাধারণ সমাধান হিসেবে আমরা অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নাপা কিংবা যেকোনো ব্যথার ওষুধ খেয়ে নিই। কিন্তু ব্যথা একদম চরম পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করি না যে ঠিক কী কারণে এই যন্ত্রণার সূত্রপাত হচ্ছে। সাধারণ মাথা ব্যথার লক্ষণ এবং এর তীব্রতা ভালো করে পর্যবেক্ষণ করলে খুব সহজেই ব্যথার আসল কারণটি নির্ণয় করা সম্ভব হতে পারে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে ব্যথার স্থান ও ধরণ দেখে রোগ সনাক্ত করা অনেক সহজ হয়ে যায়।সাধারণত মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে মাথার যেকোনো একটা দিক থেকে তীব্র ব্যথা শুরু হয় বলে একে বা অনেকেই আধ-কপালি ব্যথাও বলে থাকেন। এই ধরণের ব্যথা সাধারণত মাথার ভেতর অনবরত দপদপ করতে থাকে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে তা পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে চোখ ও এর চারপাশের অংশকে আক্রান্ত করতে পারে। 

অন্য দিকে মানসিক দুশ্চিন্তা বা অতিরিক্ত টেনশনের কারণে মাথা ব্যথা হলে তা পুরো মাথা জুড়ে অনুভূত হয় এবং মনে হয় যেন কেউ চারপাশ থেকে মাথাটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছে। এছাড়াও ক্লাস্টার হেডেকের ক্ষেত্রে দিনের বা বছরের নির্দিষ্ট একটা সময়ে চোখের পিছনের দিক থেকে মাথার একটি দিক বরাবর প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হয়। মাথার ভেতরে আচমকা রক্তপাত হলে কিংবা মস্তিষ্কে সংক্রমণ হলে মাথার পিছন দিক থেকে শুরু হয়ে ঘাড় পর্যন্ত মারাত্মক যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়।

চোখের পাওয়ার বা দৃষ্টিশক্তি জনিত সমস্যা বাড়লে সাধারণত চোখের চারপাশে তীব্র ব্যথা করে যা পরবর্তীতে মাথা ব্যথার লক্ষণ হিসেবে প্রকাশ পায়। সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্রেন টিউমারের ক্ষেত্রে মাথার যে অংশে টিউমারটি অবস্থান করে ঠিক সেই সুনির্দিষ্ট অংশেই বেশি যন্ত্রণা অনুভূত হয়ে থাকে। তবে টিউমার আকারে ছোট থাকলে সাধারণত প্রাথমিক অবস্থায় কোনো ব্যথা হয় না কিন্তু তা আকারে বা অনেকটা বড় হলে তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। তাই দীর্ঘস্থায়ী মাথা ব্যথাকে সাধারণ মনে করে অবহেলা না করে দ্রুত সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।