সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
কাজের ব্যস্ততা, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা মানসিক চাপের কারণে অনেক সময় ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়। আবার নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই অনেকের রাতে ঠিকমতো ঘুম আসে না। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানোর সব কারণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও, দৈনন্দিন জীবনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে ঘুমের মান অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিত। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সাধারণত অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। বিছানায় যাওয়ার পর প্রায় কুড়ি মিনিট পার হলেও যদি ঘুম না আসে, তবে বিছানা ছেড়ে উঠে অন্য ঘরে গিয়ে বই পড়ার মতো শান্ত কোনো কাজ করা যেতে পারে। ঘুম ভাব ফিরে এলে তবেই বিছানায় ফেরা উচিত।
খাবার ও পানীয়ের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। শোবার ঠিক আগে ভারী খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ তা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। ক্যাফেইন ও নিকোটিনের উত্তেজক প্রভাব শরীরে দীর্ঘক্ষণ সচল থাকে বলে তা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এছাড়া শোবার ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
দিনের বেলা দীর্ঘসময় ঘুমানো এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ তা রাতের ঘুমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং শোবার আগে দুশ্চিন্তা কমাতে করণীয় কাজগুলো খাতায় লিখে রাখলে মানসিক চাপ কমে। নিয়মিত জীবনধারা ও সঠিক পরিবেশ বজায় রাখলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ঘুমের মানও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে রাখা সম্ভব।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন