অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই ঠান্ডা লাগা, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া বা শোয়ার পর নাক বন্ধ হয়ে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়। একই সাথে শুকনো কাশির ভোগান্তিও বেড়ে যায়। দৈনন্দিন রান্নাঘরের সাধারণ কিছু উপাদান কাজে লাগিয়ে এই সমস্যাগুলো থেকে স্বস্তি পাওয়া সম্ভব। গলার খুসখুস ও নাক থেকে পানি পড়া কমাতে যষ্টিমধু ও গোলমরিচের মিশ্রণ বেশ কার্যকর।
এক কাপ পানিতে সামান্য যষ্টিমধু, আস্ত গোলমরিচ এবং কয়েকটি তুলসীপাতা দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। ফুটতে ফুটতে পানি শুকিয়ে অর্ধেক হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি হালকা গরম অবস্থায় ধীরে ধীরে পান করলে গলা ব্যথা, চুলকানি বা ঠান্ডা লেগে গলা ভেঙে যাওয়ার সমস্যা দ্রুত দূর হয়।
ক্যালশিয়াম, আয়রন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট সমৃদ্ধ কালো তিল সর্দি-কাশি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রথমে শুকনো তাওয়ায় কালো তিল হালকা ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। এরপর আখের গুড় গলিয়ে সেই গুঁড়া তিলের সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট নাড়ু তৈরি করে কাচের বয়ামে সংরক্ষণ করা যায়। প্রতিদিন সকালে একটি করে এই নাড়ু খেলে ঠান্ডা লাগা ও গলা ব্যথা থেকে উপশম মেলে।
শুকনো আদার গুঁড়া এবং আস্ত ধনে বীজ একসাথে ফুটিয়ে তৈরি পানীয় কাশি নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর।
এক গ্লাস পানিতে পরিমাণমতো শুকনো আদার গুঁড়া ও ধনে বীজ দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে চায়ের মতো পান করা যায়। স্বাদের জন্য এতে সামান্য মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করলে শুকনো কাশি এবং অ্যালার্জির সমস্যা কমে যায়।
ঠান্ডা ও কাশিতে আরাম পেতে বেসনের শিরাও কাজে লাগে। বেসনের সাথে দুধ, ঘি, হলুদ ও গোলমরিচ মিশিয়ে এই পানীয় তৈরি করা হয়। চাইলে এর সঙ্গে আদাও যোগ করা যায়। সর্দি-কাশি হলে দিনে দুইবার এই গরম মিশ্রণ পান করলে বুকে ও গলায় তাৎক্ষণিক আরাম পাওয়া যায়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন