জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
এতদিন ১০ বছরের পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ থাকলেও এখন তা সাত বছরে নামিয়ে আনা হচ্ছে। এই প্রস্তাবিত নীতিমালা আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উঠছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ২০২৬–২৯ সালের নতুন আমদানি নীতি আদেশে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারির আয়ু সাধারণত আট বছরের বেশি হয় না। সাত বছরের পুরোনো গাড়ি আমদানি করলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই ব্যাটারির কার্যকারিতা হারিয়ে যাবে।
এর ফলে বাংলাদেশ এসব পুরোনো গাড়ির ব্যাটারির ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত হতে পারে। এ ছাড়া এতে দেশের উদীয়মান বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্প ও বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পুরোনো বর্জ্য নিয়ে বিপাকে পড়তে পারে দেশ।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান খান জানিয়েছেন, পুরোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে তা বিপর্যয় ডেকে আনবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মীরসরাই ইকোনমিক জোনে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই নতুন শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ১৭৮টি বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি করা হয়েছিল। এখন নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে গাড়ির দাম কিছুটা কমলেও শিল্পের ভবিষ্যতের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন