সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এশিয়ার ২ দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

এশিয়ার ২ দেশে ভূমিকম্প অনুভূত

এশিয়ায় জোড়া ভূমিকম্প

এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে একটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮ এবং অপরটির ৫ দশমিক ৯। শুক্রবার সংঘটিত এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে হঠাৎ মাটির নিচে তীব্র কম্পন সৃষ্টি হওয়ায় দুই দেশের সীমান্তবর্তী ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৮। এটি রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে আঘাত হানে। 

কম্পনটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে কাবুলের পাশাপাশি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বামিয়ান ও ওয়ারদাকের বাসিন্দারাও তা স্পষ্টভাবে অনুভব করেছেন। পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের আশঙ্কা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিপর্যয়ের খবর মেলেনি। অনেকে ভয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।

অন্যদিকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। পাকিস্তানের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। কেন্দ্রস্থল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কম্পনের তীব্রতা বেশি ছিল। বিশেষ করে শাংলা, সোয়াত, মারদান, সোয়াবি এবং নওশেরা জেলায় মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। অনেক অফিস ও বিপণিবিতান থেকেও লোকজন দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।

আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলটি একটি সক্রিয় ভূকম্পন প্রবণ এলাকা হওয়ায় এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০১ কিলোমিটার। এই গভীরতার কারণে কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অনুভূত হলেও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা তুলনামূলক কম হয়। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা প্রতিটি জেলার প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।