মে ১২, ২০২৬, ০৯:৪৯ এএম
নিজ দল লেবার পার্টির ভেতরেই পদত্যাগের দাবির মুখে তীব্র চাপের মধ্যে পড়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। দলের চারজন পার্লামেন্টারি প্রাইভেট সেক্রেটারি (পিপিএস) ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন এবং হাউস অব কমন্সে লেবার পার্টির প্রায় ৭০ জন এমপি তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সোমবার লন্ডনে দলীয় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে নেতৃত্বের লড়াই কেবল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। এ সময় তিনি দল ও ভোটারদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দেন।
মূলত গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর দলীয় অসন্তোষ প্রকাশ্য রূপ নেয়। অর্থনীতি ও জনজীবনের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন নিজ দলের নেতারাই।
পদত্যাগকারী চার পিপিএসের মধ্যে রয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রীর সহযোগী মেলানি ওয়ার্ড, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সহযোগী জো মরিস, পরিবেশমন্ত্রীর সহযোগী টম রুটল্যান্ড এবং ক্যাবিনেট অফিসের সহযোগী নওশাবাহ খান।বিদ্রোহী নেতাদের দাবি, ৬৩ বছর বয়সী কিয়ার স্টারমার ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নন। এ কারণে এখনই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরুর দাবি তুলেছেন তারা।
পদত্যাগপত্রে টম রুটল্যান্ড উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী কেবল দলীয় এমপিদের মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশের কাছেই তার কর্তৃত্ব হারিয়েছেন। অন্যদিকে মেলানি ওয়ার্ড তার পদত্যাগপত্রে জানান, স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফল দলকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বর্তমানে লেবার পার্টির ভেতরে স্টারমারের নেতৃত্ব বজায় রাখা নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন