শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ডাল রান্নার সঠিক নিয়মে মিলবে সর্বোচ্চ পুষ্টি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১২:১৫ পিএম

ডাল রান্নার সঠিক নিয়মে মিলবে সর্বোচ্চ পুষ্টি

বাঙালির দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডাল অন্যতম প্রধান একটি পদ। মসুর, মুগ কিংবা খেসারির মতো বিভিন্ন পদের ডালের নিজস্ব পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা রয়েছে।

তবে রান্নার প্রক্রিয়ায় ভুল থাকলে এসব পুষ্টি উপাদানের অনেকটাই নষ্ট হতে পারে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার আগে ডাল কমপক্ষে দুই ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে ডালে থাকা ফাইটিক অ্যাসিডের মতো উপাদান দূর হয় এবং মানবদেহের অন্ত্র সহজে ডালের সম্পূর্ণ প্রোটিন শোষণ করতে সক্ষম হয়। তবে ভেজানোর আগে ডাল তিন থেকে চারবার পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া প্রয়োজন, যাতে কৃত্রিম পলিশ, ধুলোবালি ও বাইরের ময়লা দূর হয়।

ভেজানোর পর সেই পানি ফেলে দেওয়া উচিত নয়। কারণ ডাল ভেজানোর সময় এতে থাকা ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি পানিতে দ্রবীভূত হয়। ফলে পানি ফেলে দিলে অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিনগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ডাল নির্বাচনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চকচকে বা কৃত্রিমভাবে পালিশ করা ডাল এড়িয়ে অপরিশোধিত ডাল বেছে নেওয়া উত্তম। অপরিশোধিত ডালে প্রাকৃতিক পুষ্টি অক্ষুণ্ণ থাকে। পাশাপাশি প্রোটিনসমৃদ্ধ ও কম চর্বিযুক্ত ভালো মানের ডাল ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

একঘেয়েমি কাটাতে এবং খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টির সমন্বয় ঘটাতে একাধিক ধরনের ডাল মিশিয়ে রান্না করা যেতে পারে। ডাল-ভাতের পাশাপাশি সালাদ, নাস্তা বা রুটির উপকরণ হিসেবেও ডাল ব্যবহারের মাধ্যমে পুষ্টির মাত্রা বাড়ানো সম্ভব।