সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মাধ্যমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আভাস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ০৯:০৯ পিএম

মাধ্যমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আভাস

সরকারের নির্দেশনা সত্ত্বেও শিক্ষকদের লাগাতার কর্মবিরতির কারণে আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় দিনেও সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি। তবে মাধ্যমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের একটি ইতিবাচক আভাস মিলেছে।

আজ সন্ধ্যা থেকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে দাবি নিয়ে বৈঠক করছেন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।মাধ্যমিক শিক্ষকদের প্রত্যাহার আভাস

বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ও কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রেবেকা সুলতানা রাত সাড়ে ৮টার দিকে জানান, বৈঠক চলছে।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক নেতা জানিয়েছেন:কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে; তাদের আশ্বাসের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে কর্মবিরতি প্রত্যাহার হতে পারে। ফলে বুধবার থেকে স্কুলে যথারীতি শিক্ষকরা কাজে যোগ দিতে পারেন।"চার দফা দাবিতে সোমবার থেকে পূর্ণ কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি।প্রাথমিক শিক্ষকরা: বৃহস্পতিবার থেকে স্কুলে তালা ঝুলানোর হুমকি

অন্যদিকে, তিন দফা দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একাংশের কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে অধিকাংশ স্কুলে পরীক্ষা হয়নি।কঠোর কর্মসূচি: প্রাথমিক শিক্ষকদের বারোটি সংগঠনের মোর্চা ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ জানিয়েছে, দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহস্পতিবার থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘তালাবদ্ধ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

দাবি: সহকারী শিক্ষকদের দাবি হলো—দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা দূর ও সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।৪ শিক্ষক নেতাকে শোকজএদিকে, পরীক্ষায় বাধা দেওয়ার অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের চার নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে এই নোটিশ দেওয়া হয় এবং ৩ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত সরকারি কর্মচারী বিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং এর দায়ে তাদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।