সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৮:৪৯ পিএম

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল

সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরের পর প্রকাশ করা হতে পারে। আজ শনিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সমন্বয়ে মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে, আগামীকাল দুপুরের পর ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত দেশের ১৭টি কেন্দ্র ও ৪৯টি ভেন্যুতে একযোগে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৯৮ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।ভর্তির নীতিমালা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র অনুসারে, মেধাতালিকা তৈরির ক্ষেত্রে মোট ২০০ নম্বর বিবেচনা করা হবে:

পরীক্ষার ধরন নম্বর নির্ধারণ পদ্ধতি মোট নম্বর
লিখিত পরীক্ষা নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) ১০০
এসএসসি জিপিএ জিপিএ × ৮ ৪০
এইচএসসি জিপিএ জিপিএ × ১২ ৬০
সর্বমোট (লিখিত নম্বর + এসএসসি জিপিএ নম্বর + এইচএসসি জিপিএ নম্বর) ২০০

মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় কিছু প্রার্থীর জন্য ভিন্ন নিয়ম রয়েছে:

২০২৫ সালের এইচএসসি পাস: এই শিক্ষার্থীদের প্রতিটি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এর বাইরে আর কোনো নম্বর কাটা হবে না। ২০২৪ সালের এইচএসসি পাস (সেকেন্ড টাইমার): তাদের প্রাপ্ত মোট নম্বরের থেকে ৩ নম্বর কেটে নেওয়া হবে। এরপর জিপিএ ও লিখিত পরীক্ষার নম্বর যোগ করে মেধাতালিকা তৈরি হবে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া: যেসব শিক্ষার্থী গত বছর মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এবং পুনরায় পরীক্ষা দিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর কেটে নেওয়া হবে।

উদাহরণস্বরূপ: সেকেন্ড টাইমের কোনো শিক্ষার্থী যদি মোট ১৪৫ নম্বর পান, তবে তার প্রাপ্ত নম্বর দেখানো হবে ১৪২। আর আগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী ১৪৫ পেলে তার প্রাপ্ত নম্বর দেখানো হবে ১৪০।স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ১৩ হাজার ৫১টি।

কোর্সের নাম সরকারি আসন বেসরকারি আসন মোট আসন
এমবিবিএস ৫,১০০টি ৬,১০০টি ১১,২০০টি
বিডিএস ৫৪৫টি ১,৪০৫টি ১,৯৫০টি
মোট ৫,৬৪৫টি ৭,৫০৫টি ১৩,১৫০টি

এ বছর মোট ১৩ হাজার ৫১টি শূন্য আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন এক লাখ ২২ হাজার ৬৩২ জন। সে হিসাবে এবার আসনপ্রতি লড়ছেন প্রায় ৯.৪০ জন ভর্তিচ্ছু।