ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ১১:০৭ পিএম
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর কক্সবাজার এবং হাতিয়ার মধ্যবর্তী সমুদ্র এলাকায় মিসাইল ফায়ারিং পরিচালিত হবে। এই বিশেষ সামরিক কার্যক্রম চলাকালীন সমুদ্রসীমায় জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট এলাকায় সকল ধরনের নৌযান চলাচল এবং অবস্থান পরিহার করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শনিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।আইএসপিআর জানিয়েছে যে নির্ধারিত দুই দিন সমুদ্রের ওই বিশেষ অংশে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজগুলো তাদের রণকৌশল ও মিসাইল ফায়ারিং সক্ষমতা যাচাই করবে।
এই সময়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ওই এলাকা দিয়ে কোনো যাত্রীবাহী নৌযান বা পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে এই দুই দিন নির্ধারিত সীমানার বাইরে থাকার জন্য নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই মহড়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।সাধারণত প্রতি বছরই নৌবাহিনী তাদের যুদ্ধ সরঞ্জামের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য এ ধরনের মহড়ার আয়োজন করে থাকে।
বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় এলাকার জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সমুদ্রগামী জেলেরা যাতে ভুলবশত ফায়ারিং জোনে প্রবেশ না করে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন ও কোস্ট গার্ডকেও সতর্ক থাকতে দেখা গেছে। নির্দিষ্ট ওই সময়ে সমুদ্রের নিরাপত্তা বজায় রাখতে নৌবাহিনীর টহল জোরদার করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন