জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় শ্মশানের নাম পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের অভ্যন্তরীণ একটি বিরোধের ঘটনাকে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংস ফ্যাক্টস তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করে এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়েছিল যে এক হিন্দু বৃদ্ধার মরদেহ সৎকারে ‘তৌহিদি জনতা’ বাধা দিয়েছে।
তবে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে দেখা যায় এই ঘটনার সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোনো সম্পর্ক নেই। মূলত মৃত মিনা বণিকের স্বজনরা শ্মশানের নাম ভুল উল্লেখ করে মাইকিং করায় শ্মশানের চাবি দিতে দেরি করেছিলেন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
স্থানীয় বাবলু ভৌমিক জানান শ্মশানের বর্তমান নাম ‘ঘোষগাতি মহাশ্মশান’ হলেও মাইকিংয়ে পুরনো নাম ব্যবহার করায় এই ভুল বোঝাবুঝি হয়। চাবি পেতে দেরি হওয়ায় স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দ্রুত চাবির ব্যবস্থা করা হয় এবং ওই দিনই সৎকার সম্পন্ন হয় উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এটিএম আরফি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন।
এটি সম্পূর্ণ একটি অভ্যন্তরীণ বিষয় ছিল যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা হয়েছে। প্রেস উইংস ফ্যাক্টস সতর্ক করেছে যে মূল ঘটনা আড়াল করে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাম্প্রদায়িক রঙ চড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের উসকানিমূলক পোস্ট ও অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন