ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
রাজধানীর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, আহতদের অধিকাংশই লাঠির আঘাতে জখম হয়েছেন।
তবে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে গুলির অভিযোগ করা হলেও ঢামেক পরিচালক নিশ্চিত করেছেন যে, কোনো রোগীর শরীরেই গুলির বা পিলেটের আঘাত পাওয়া যায়নি।
পরিচালক আসাদুজ্জামান জানান, শুক্রবার বিকেলে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে একে একে প্রায় ৬০ জন আন্দোলনকারীকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদের মধ্যে ৩০ জনের শরীরে বাহ্যিক জখম রয়েছে, যা মূলত লাঠিপেটার কারণে হয়েছে। এছাড়া পুলিশের ছোঁড়া টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় অনেকের শ্বাসকষ্ট বা ‘ইনহেলেশন ইনজুরি’ হয়েছিল, যাদের অক্সিজেন দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং জরুরি বিভাগে ২০০ জন চিকিৎসক প্রস্তুত আছেন। তবে রোগীর সাথে অতিরিক্ত লোক আসায় চিকিৎসকদের কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে।উল্লেখ্য, গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই অবস্থান কর্মসূচি আজ দুপুরে মিছিলে রূপ নিলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা আহত হন। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিয়মতান্ত্রিকভাবে বলপ্রয়োগ করেছে এবং আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) হাদি হত্যার তদন্তে জাতিসংঘকে চিঠি পাঠানো হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন