সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

নির্বাচনের ফল প্রকাশ কবে, জানালেন ইসি আনোয়ারুল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১১:০৮ এএম

নির্বাচনের ফল প্রকাশ কবে, জানালেন ইসি আনোয়ারুল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত গণভোটের ফলাফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান যে আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরদিন শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে। 

একই দিনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় বিলম্বের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।ইসি আনোয়ারুল ইসলাম বলেন এবারের নির্বাচনী পরিবেশ বিগত যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি চমৎকার ও শান্তিপূর্ণ। 

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে যে সব শঙ্কা ছিল তা সবার সহযোগিতায় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জাতিকে উপহার দেওয়া হবে। ফলাফল সংগ্রহের জন্য এবার আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম এবং একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে যার ফলে তথ্য আদান-প্রদান আগের চেয়ে অনেক দ্রুত হবে। 

তবে পাহাড়ী বা দুর্গম এলাকার কিছু কেন্দ্রে যাতায়াত সমস্যার কারণে ফলাফল আসতে সামান্য দেরি হতে পারে যা স্বাভাবিক।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনার জানান যে এবারের নির্বাচনে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি এবং আনসারসহ সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় একাধিক মনিটরিং টিম সক্রিয় থাকবে এবং প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর মাঠ পর্যায়ের তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পাঠানো হবে। 

এছাড়া যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সুবিধা রয়েছে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো প্রকার গুজব ছড়িয়ে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ ফ্যাক্ট-ফাইডিং সেল গঠন করেছে। এই সেল সার্বক্ষণিক অনলাইনে নজরদারি করবে এবং কোনো অপপ্রচার নজরে এলে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। 

ভোটারদের সুবিধার্থে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে যাতে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে। সব মিলিয়ে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে বিশ্বাস করে নির্বাচন কমিশন।