ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নতুন সরকার প্রধান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বর্ণাঢ্য শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে এই দুই নেতার মধ্যে এ কুশল বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এক শাসন ব্যবস্থার সমাপ্তি ও নির্বাচিত সরকারের যাত্রা শুরুর এই মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পরপরই প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান।
পরবর্তীতে ড. ইউনূসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের একটি ছবি ও পোস্ট শেয়ার করা হয়। সেখানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হস্তান্তরের এই সময়ে দুই নেতার হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতি উপস্থিত সুধীজন ও দেশি-বিদেশি প্রতিনিধিদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এদিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান। তাঁর শপথের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার আরও ৪৯ জন সদস্য শপথ নেন, যার মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দীর্ঘ ১৮ মাস দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন শেষে নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী শক্তির কাছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণ করল।
সংসদ ভবনের উন্মুক্ত চত্বরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হাই-প্রোফাইল অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। দুই নেতার এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের নতুন অভিযাত্রা শুরু হলো। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ক্ষমতার এই শান্তিপূর্ণ ও সম্মানজনক হস্তান্তর দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এখন থেকে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন