বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬,

সৌদি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

জাতীয় ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম

সৌদি সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার রাত দেড়টার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করেন। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) একটি জরুরি বৈঠকে অংশ নিতে তার এই বিশেষ সফর। 

বিএনপি সরকার গঠনের পর এটাই কোনো মন্ত্রীর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফর হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার জেদ্দায় ওআইসির মন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সফর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের ওআইসি বৈঠকে প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হলো ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসন। ইসরায়েলি বাহিনীর অবৈধ দখলদারিত্ব এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো এই জরুরি সভা আহ্বান করেছে। 

বাংলাদেশ এই বৈঠকে ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলে জোরালো অবস্থান তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের এই সফর কূটনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।ওআইসির এই মূল অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের আরও কিছু কর্মসূচি রয়েছে। 

বৈঠকের বিরতি ও ফাঁকে তিনি ওআইসির সদস্যভুক্ত একাধিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন। এসব দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করাই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এই সফরে তার সঙ্গী হিসেবে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন।

সরকার গঠন পরবর্তী এই সফরটি বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্রনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জেদ্দায় কয়েকদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে আগামী শনিবার অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তার এই সফরের মধ্য দিয়ে ওআইসি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নতুন সরকারের প্রতিশ্রুতি আরও জোরালোভাবে প্রতিফলিত হবে।