বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬,

দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী

আবু সালেহ মোঃ রায়হান

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী

খাল পরিদর্শন করছেন প্রতিমন্ত্রী :ছবি-দিনাজপুর টিভি

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ বাস্তবায়নে দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি ঘোষণা করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা পৌরসভার দুলালতলী বাঁধ এলাকার খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের সম্ভাব্যতা যাচাই ও পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রত্যেক কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীকে দুর্নীতির বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোনো অবস্থাতেই সরকারি কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মনে দীর্ঘদিন ধরে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, তা পরিবর্তনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে সারাদেশের নদী ও খাল খনন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। 

তিনি জানান, অবৈধ দখলমুক্ত করে খাল ও নদীগুলো আগামী ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে পুনঃখনন করা হবে। এই কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে এলাকার কৃষি ও মৎস্য চাষে আমূল পরিবর্তন আসবে এবং স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি মনে করেন, স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন হলে এই দপ্তরের ওপর জনগণের আস্থা পুনরায় ফিরে আসবে।পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম এবং পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মণ। 

এ ছাড়া বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি দুলালতলী বাঁধ এলাকার খালের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং খনন কাজের কারিগরি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সাথে আলোচনা করেন। প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলেন এবং খনন কাজের গুণগত মান নিশ্চিতে নিয়মিত কঠোর নজরদারি রাখা হবে বলে তাদের আশ্বস্ত করেন।