মার্চ ২৪, ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
ইরান যুদ্ধের বিরূপ প্রভাবে জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয়ের যোগান দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দেখছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সাথে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, উদ্ভূত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওয়াশিংটনে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।বৈঠকের আগে আইএমএফ প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় সংকোচনসহ বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে আইএমএফের ঋণের পরবর্তী কিস্তি নিয়ে এখনই কোনো সুখবর নেই। আগামী বাজেটের আগে সংস্থাটির ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির ১৮৬ কোটি ডলার ছাড় হচ্ছে না। জুলাই মাসে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এই অর্থ ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজ করা এবং প্রশাসনিক খরচ কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে সরকার সক্রিয় রয়েছে। আগামী জাতীয় বাজেটে এসব সংস্কার কর্মসূচির প্রতিফলন দেখা যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও সরকারের সঠিক তদারকির কারণে এবারের ঈদে দ্রব্যমূল্য ও পরিবহন সংকট নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অর্থমন্ত্রী সংকটকালীন এই সময়ে দেশের জনগণকে আরও বেশি সাশ্রয়ী ও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন