সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ২৮, ২০২৬, ১১:০৫ এএম

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

জাতিসংঘে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নিউ ইয়র্কে ‘জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন’-এর উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার স্থানীয় একটি হোটেলে এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

এই অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে নিযুক্ত বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘ সচিবালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষস্থানীয় কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় অর্জনের প্রতি সম্মান জানিয়ে অতিথিরা এই আয়োজনে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পর থেকে বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে তার পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধারণ করে আসছে। 

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল অবদান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি অব্যাহত মানবিক সহায়তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, গত পাঁচ দশকে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য আর্থসামাজিক অগ্রগতি সাধন করেছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, ২৬ মার্চ কেবল একটি জাতির জন্মলগ্নই নয়, বরং এই দিনটি বাঙালি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভাবমূর্তি ও উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে সকালে মিশনের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে দিবসটি উপলক্ষে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি ও সুধীবৃন্দ বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও বর্তমান উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার আহ্বান জানান।