রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬,

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি শুরুর তারিখ জানালেন তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি শুরুর তারিখ জানালেন তারেক রহমান

কৃষক কার্ডের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ‘কৃষক কার্ড’ বা ‘ফার্মারস কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। ক্রীড়া কার্ড ও খেলোয়াড়দের ভাতা প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি কৃষকদের জন্য নেওয়া সরকারের এই নতুন পরিকল্পনার কথা দেশবাসীকে জানান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে তার প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ করে যাচ্ছে এবং ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই কর্মসূচি সেই প্রক্রিয়ারই একটি বড় অংশ।

এদিন সকালে তেজগাঁওয়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘ক্রীড়া কার্ড’ কার্যক্রমেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছার কথা তুলে ধরে তিনি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে একটি বিশেষ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে খেলোয়াড়দের উচিত হবে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য না হওয়া। 

তাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত খেলাধুলার মাধ্যমে দেশের মান উজ্জ্বল করা। ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজের একটি সংক্ষিপ্ত খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। 

সেই উদ্দেশ্য পূরণে ইতিমধ্যে পর্যায়ক্রমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইমাম, খতিব এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানি ভাতা প্রদান কার্যক্রমও সফলভাবে চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিখাত ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন গতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চতুর্দশ এপ্রিল তথা পহেলা বৈশাখের পুণ্যলগ্নে কৃষক কার্ড চালুর মাধ্যমে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি, সার, বীজ ও বিভিন্ন কৃষি উপকরণ সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন যে জনগণের জীবনমানের টেকসই উন্নয়নে তার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিটি স্তরের মানুষ যেন রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে, সেটিই তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার।