মে ২০, ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
দেশে হামের টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ। বুধবার এক ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান কোনো মহামারি হঠাৎ করে তৈরি হয় না। বিশেষ কিছু ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা দেয়।টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে এই আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়েছিল।
২০২৪ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারকে ৫ থেকে ৬টি চিঠি পাঠানো হয়। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত ১০ বার বৈঠক করে ইউনিসেফ। সর্বশেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে ডেস্কে পৌঁছায় বলে ফ্লাওয়ার্স নিশ্চিত করেন।
গত বছর মন্ত্রিসভায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্বের এটি একটি বড় কারণ।সাধারণ ওষুধ কেনা এবং টিকা কেনার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা।
এখানে শুধু কম দাম বিবেচ্য হতে পারে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে সাধারণত এক বছরের মতো দীর্ঘ সময় লেগে যায়।
ইউনিসেফের মাধ্যমে এই কাজ আরও দ্রুত করা সম্ভব। ২০২৪ সালেই এই সংকটের পূর্বাভাস দিয়ে আগামী দুই বছরে এর প্রভাব নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। রানা ফ্লাওয়ার্স জানান এখন কাউকে দোষারোপ না করে টিকাদান প্রক্রিয়া সচল রাখাই মূল লক্ষ্য। দেশে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশু হামের টিকা পেয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন