জুলাই ৭, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
আগামী ২০২৭ সালের হজ মৌসুমে ব্যয়ের চাপ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সৌদি আরবের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে হজের খরচ আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন। সম্প্রতি হজ ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নসংক্রান্ত এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
হজের ব্যয় বাড়ার পেছনে চারটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য ও সেবার মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাজারে বিমান জ্বালানির উচ্চমূল্য, সৌদি সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন সেবামূল্য বৃদ্ধি এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান কমে যাওয়া। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি কোনো একটি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতির ওপর নির্ভর নয়, বরং এর সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট সরাসরি জড়িত।
বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় সেসব দেশের হজযাত্রীদের ওপর ব্যয়ের চাপ বেশি পড়বে। ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের ক্ষেত্রে রুপিয়াহর মান কমে যাওয়ায় হজের খরচ বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রবল। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ডলারের বিনিময় হার হজের চূড়ান্ত ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হজ ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে বিভিন্ন দেশের সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। খরচ কমানোর বিকল্প হিসেবে কয়েকটি প্রস্তাব বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—হজ শেষে ফেরার পথে খালি বিমানগুলোতে সাধারণ যাত্রী পরিবহন করে বিমান ভাড়া কমানো এবং ট্যাক্স বা সেবামূল্য পুনর্মূল্যায়নের অনুরোধ জানানো। তবে ২০২৭ সালের হজের চূড়ান্ত খরচ নির্ভর করবে সৌদি সরকারের সিদ্ধান্ত ও আগামী বছরের ডলারের বিনিময় হারের ওপর।
তথ্যসূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরম্যাশন

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন