রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ৭, ২০২৬, ১০:২৩ এএম

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর দেবেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় গৃহহীন হয়ে পড়া একশটি পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী রোববার কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সফরের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাঁশখালীতে আয়োজিত এক বিশেষ সমাবেশে তিনি এই পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সর্বস্ব হারানো মানুষের মাঝে এই উদ্যোগের ফলে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত এই ঘরগুলোর নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন এই বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালী পৌরসভা এবং উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং নতুন করে ঘর নির্মাণের কোনো সামর্থ্য নেই—এমন একশটি পরিবারকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করা হয়েছে। 

প্রতিটি ঘর আঠারো ফুট দৈর্ঘ্য ও বারো ফুট প্রস্থের করা হয়েছে, যাতে দুটি কক্ষ এবং একটি সংযুক্ত শৌচাগার রয়েছে। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার লক্ষে আরসিসি পিলার, কাঠ ও টিন ব্যবহার করে দুর্যোগ-সহনীয় বিশেষ নকশায় এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।সরকারি এই উদ্যোগে নতুন সরকারি ঘর পাওয়ার খবর প্রকাশের পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে গভীর স্বস্তি ও আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে নিজ হাতে ঘরের চাবি তুলে দেবেন—এমন প্রত্যাশায় দিন গুনছেন সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ। 

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতসংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠানস্থল, মঞ্চ, প্যান্ডেল এবং নির্মাণাধীন ঘরগুলোর অগ্রগতি সরাসরি পরিদর্শন করেছেন।

জেলা প্রশাসক জানান যে প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করার লক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন প্রতিটি ঘরের মান ও দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমস্ত কাজ সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।