আগস্ট ৭, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
বিএনপি যখনই উত্তরাধিকার সূত্রে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তখনই দলটিকে একটি বিশাল ধ্বংসস্তূপের মুখোমুখি হতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান যে বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন খাতে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও ভঙ্গুর কাঠামো ঠিক করতেই বর্তমান সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর হোটেল হলিডে ইন-এ টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন হোটেল হলিডে ইন-এ টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।
মির্জা ফখরুল আরও অভিযোগ করেন যে বিগত সরকার গ্যাস অনুসন্ধানের কোনো উদ্যোগ না নিয়ে সম্পূর্ণ আমদানি-নির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতকে ধ্বংস করার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতকে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে গণতন্ত্র কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, এটি মূলত একটি সংস্কৃতি যা আমাদের দৈনন্দিন চিন্তা ও চলাফেরার মধ্যে প্রতিফলিত হওয়া আবশ্যক।
সেমিনারে তথ্য ও সম্প্রচার-মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান আলোচক হিসেবে এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল বলেন যে গণতন্ত্র কেবল ভোটাধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর এর স্থায়িত্ব নির্ভর করে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল বলেন, ‘গণতন্ত্র কেবল ভোটাধিকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং নাগরিকের নির্ভয়ে সত্য জানার অধিকার রক্ষার ওপরই এর স্থায়িত্ব নির্ভর করে।
তিনি বিগত দেড় দশকের রাজনৈতিক চাপ ও নজরদারির কারণে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতাগুলোর কথা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে যমুনা টেলিভিশনের তৌহিদুল ইসলাম, এনটিভির কাঞ্চন, মাইটিভির মাহমুদ আল হাসান, মোহনা টেলিভিশনের রাশেদুল হক, স্টার টেলিভিশনের মোকসেদুল করিম বাবু, এখন টেলিভিশনের আখতারুজ্জামান বাবু, মারুফ কুমার খান সোহেল এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা বক্তব্য রাখেন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যমুনা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ তৌহিদুল ইসলাম, এনটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক কাঞ্চন, মাইটিভির প্রধান সম্পাদক মাহমুদ আল হাসান, মোহনা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক রাশেদুল হক, স্টার টেলিভিশনের সিইও মোকসেদুল করিম বাবু, এখন টেলিভিশনের সিইও আখতারুজ্জামান বাবু, মারুফ কুমার খান সোহেল এবং ডেইলি ওয়াদার সম্পাদক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম]। সেমিনারে সম্পাদকীয় স্বাধীনতা রক্ষা এবং ভুয়া তথ্য প্রতিরোধের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন