আগস্ট ২০, ২০২৬, ০২:১৫ পিএম
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অন্য নির্বাচনগুলোর মতো নয়। অন্যান্য নির্বাচনে যেমন সাধারণ ভোটাররা ভোট দিয়ে থাকেন, এই নির্বাচনের ভোটার কেবল জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) এবং ভোট দেওয়ার নিয়ম-কানুনও আলাদা।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তারা বিষয়টির ব্যাখ্যাও করেছেন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ব্যালট পেপারে দুটো পার্ট-একটা মুড়ি আর একটা হচ্ছে ভোট।কিছুক্ষণ পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, যেভাবে ভোট দেবেন এমপিরা
মুড়িতে চারটা তথ্য থাকে- ব্যালটের ক্রমিক, যিনি ভোটার তার নাম, বিভক্তি নম্বর আর একটা স্পেস আছে; যেখানে তাকে স্বাক্ষর করে ব্যালটটা নিতে হবে। আর ডান দিকের সাইডটা- যেটা ব্যালট, সেই ব্যালটটায়, যারা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তাদের নামটা থাকবে এবং তার পাশে স্পেস দেওয়া আছে। সেই স্পেসে (প্রার্থীর নামের পাশে) ওনারা (সংসদ সদস্যরা) পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন।
দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের জন্য সিইসির ডাকা বৈঠকে সংসদ সদস্যরা তাদের আসন গ্রহণ করবেন।নির্বাচনী কর্তা হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন ভোটগ্রহণ করবেন। তাকে সহায়তা করবেন সহায়ক কর্মকর্তারা। সংসদ কক্ষে সিইসিও বসবেন।ইসি সচিব বলেন, ব্যালট বাক্স স্বচ্ছ হবে। কোনো বুথ নয়, তিনটা বক্স থাকবে, যার যার (এমপি) কনভিনিয়েন্স অনুযায়ী যাতে ওনার নিয়ারেস্ট পসিবল বক্সে ড্রপ করতে পারেন।
তিনি বলেন, অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যরা স্ব-স্ব অবস্থানে তাদের আসনে বসবেন। আমরা যারা সহায়ক কর্মকর্তা থাকব, আমিসহ আমরা তাদের কাছে ব্যালট পেপারটা পৌঁছে দেবো। পৌঁছে দেওয়ার পরে তারা তাদের মনোনীত প্রার্থীকে স্বাক্ষর করে চিহ্নিত করে সামনে ৩টা ব্যালট বক্স রাখার কথা বলা হয়েছে, ৩টা ব্যালট বক্সের যেকোনো একটায় তারা ভোট কাস্ট করবেন। এটা হচ্ছে পদ্ধতিগত ব্যাপার। ৫টার সময় যখন ভোটগ্রহণ শেষ হবে, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওখানে কাউন্টিংটা করবো।
ইসি সচিব বলেন, মোট ব্যালট হচ্ছে ৩৪৯টা। বৈধ কয়টা কাস্ট হয়েছে, কয়টা বৈধ, কয়টা প্রার্থীদের ভেতরে পাওয়া গেছে, এই ফলাফলটা ওখানে সংসদ আমাদের নির্বাচনে যিনি আহ্বান করবেন নির্বাচনকর্তা অর্থাৎ সিইসি, ওখানে অ্যানাউন্স করে আমরা সচিবালয়ে এসে বাকি গেজেটটা করবো।২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি অসুস্থতা দেখিয়ে পদত্যাগ করলে ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের জন্য ২০ আগস্ট ভোটের তারিখ রেখে তফসিল ঘোষণা করে ইসি। বিএনপি ও সমমনাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ মনোনয়নপত্র জমা দেন। বাছাইয়ে বৈধ হলে কোনো প্রার্থীই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ভোটগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন