অক্টোবর ১৯, ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম আকস্মিকভাবে সীমিত করায় সরাসরি ও ট্রানজিট রুটের মোট ১২৬টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং অন্যান্য দেশে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা ১৯ হাজার ৩৭৭ জন যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্থগিত হওয়া মোট ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি রুটের ফ্লাইট ৫৯টি এবং ট্রানজিট রুটের ফ্লাইট রয়েছে ৬৭টি।
সরাসরি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট রয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। সংস্থাটির ২০টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের (সৌদিয়া) ১৯টি, বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি এবং নতুন চালু হওয়া রিয়াদ এয়ারের ১০টি সরাসরি ফ্লাইট স্থগিতের কবলে পড়েছে।
ট্রানজিট রুটের ফ্লাইটেও বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে।
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, ট্রানজিট রুটে স্থগিত ৬৭টি ফ্লাইটের মধ্যে ভারতের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইন্ডিগোর সর্বাধিক ২৪টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ওমানের সালাম এয়ারের ৭টি, দুবাইভিত্তিক ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং মিসরের রাষ্ট্রীয় সংস্থা ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে।
ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ায় নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফেরা এবং জরুরি কাজে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সহস্রাধিক প্রবাসী।
বিশেষ করে সৌদি আরবে অবস্থানরত এবং ঢাকা থেকে ট্রানজিট নিয়ে ইউরোপ বা অন্যান্য দেশে যাওয়ার শিডিউলে থাকা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর স্বাভাবিক পরিচালন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচলের এই সংকট অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ঠিক কবে নাগাদ সব ফ্লাইট স্বাভাবিক সময়সূচিতে ফিরবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন