অক্টোবর ৫, ২০২৫, ০৯:৫০ এএম
একজন শিক্ষক মোমবাতির মতো, যিনি নিজে পুড়ে অন্যকে আলো দেন। শিক্ষার্থীর জীবন গড়ার পেছনে শিক্ষকের যে ত্যাগ, শ্রম ও ভালোবাসা জড়িয়ে থাকে, তা কখনো পরিমাপযোগ্য নয়। সেই নিঃস্বার্থ কারিগরদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর দিন আজ। রোববার, ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবস।
শিক্ষকরা কেবল পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই বিতরণ করেন না, তারা শেখান জীবনবোধ, নৈতিকতা এবং মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার মন্ত্র। একজন শিক্ষার্থীর চিন্তার জগৎ, চরিত্র ও ভবিষ্যতের ভিত্তি তারাই রচনা করে দেন। এ কারণেই শিক্ষককে বলা হয় ‘মানুষ গড়ার কারিগর’ এবং ‘জাতির বিবেক’। অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রায় তারাই পথপ্রদর্শক।
7578
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। কয়েক বছর ধরে সরকারিভাবেও এই দিবসটি উদযাপিত হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেড়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৯৯৩ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ অধিবেশনে ৫ অক্টোবর তারিখটিকে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরের বছর, ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই দিবসটি পালন করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল ও এর সহযোগী ৪০১টি সংগঠনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
আজকের এই বিশেষ দিনে অগণিত শিক্ষক, যারা নীরবে একটি সভ্যতার ভিত্তি গড়ে চলেছেন, তাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন