রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
দোয়া

দাজ্জালের ফেতনা মহানবীর (সা.) শেখানো বিশেষ দোয়া

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১১:০৬ এএম

দাজ্জালের ফেতনা মহানবীর (সা.) শেখানো বিশেষ দোয়া

কিয়ামতের আগে মানবজাতি যেসকল ভয়াবহ বিপদ ও পরীক্ষার সম্মুখীন হবে, তার মধ্যে দাজ্জালের ফেতনা অন্যতম। এটি এমন এক মহা পরীক্ষা, যা থেকে স্বয়ং মহানবী (সা.) সব সময় আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এবং তার উম্মতকেও আশ্রয় চাওয়ার পদ্ধতি শিখিয়ে গেছেন। ইসলামী জীবন বিধানে এই ফেতনা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার উপায় বর্ণিত আছে।

দাজ্জালের এই ভয়াবহ ফেতনা থেকে সুরক্ষা পেতে আল্লাহর রাসুল (সা.) একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন। দোয়াটি হলো: اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِن عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ عَذَابِ القَبْرِ، وَ مِنْ فِتْنَةِ المَحْيَا وَالمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ المَسِيحِ الدَّجَّالِ।এর উচ্চারণ হলো: 'আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবি জাহান্নাম, ওয়া মিন আজাবিল কাবরি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসিহিদ দাজ্জাল।'

এই দোয়ার অর্থ হলো: 'হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জাহান্নামের শাস্তি, কবরের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা এবং মাসিহিদ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।'

এই দোয়াটির গুরুত্ব হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'তোমরা যখন (নামাজের বৈঠকে) তাশাহুদ পাঠ করবে, তখন যেন চারটি বস্তু থেকে আশ্রয় চেয়ে এই দোয়াটি বলো...।' (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৫৮৮)। অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও নিয়মিত এই দোয়াটি পাঠ করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৩৭৭)।

ইসলামী জীবন বিধানে দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে বাঁচার জন্য আরও একটি বিশেষ আমলের কথা হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। তা হলো পবিত্র কোরআনের সুরা কাহাফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করা। হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শুরুর দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮০৯)।