আগস্ট ২১, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম
সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিন মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও বরকতময়। এই দিনের প্রতিটি মুহূর্ত বিশেষ তাৎপর্য বহন করলেও আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টি সবচেয়ে মূল্যবান হিসেবে বিবেচিত হয়। হাদিস বিশারদ ও ইসলামিক গবেষকদের মতে, এই অন্তর্বর্তী সময়ে আল্লাহ বান্দার দোয়া বিশেষভাবে কবুল করেন।এটি দোয়া কবুলের এক দুর্লভ মুহূর্ত।
হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, জুমার দিনে এমন একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কোনো কল্যাণকর প্রার্থনা করলে তা ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। প্রখ্যাত সাহাবিদের বর্ণনা এবং অধিকাংশ আলেমের গবেষণায় উঠে এসেছে, সেই কাঙ্ক্ষিত সময়টি হলো আসরের পর থেকে মাগরিবের আজান পর্যন্ত অংশ। বিশেষ করে সূর্য ডোবার ঠিক আগ মুহূর্তটিতে প্রার্থনায় মগ্ন থাকাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দিনাজপুর টিভি ডট কম-এর ধর্মীয় ডেস্ক জানায়, এই সময়ে মসজিদে অবস্থান করা বা জায়নামাজে বসে একান্তে তাসবিহ-তাহলিল ও দরুদ পাঠের রেওয়াজ বহু প্রাচীন। পার্থিব ও পরলৌকিক মুক্তির আশায় ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিরা এ সময় নিজের এবং সমগ্র মানবজাতির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই বুজুর্গ ব্যক্তিরা এই সময়টিকে বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করতেন। কোনো অনর্থক আলাপচারিতায় সময় নষ্ট না করে অন্তরের আকুতি নিয়ে স্রষ্টার দরবারে হাত তোলাই এই সময়ের মূল শিক্ষা।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন