অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১০:৩২ এএম
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচগুলোর একটি এল ক্লাসিকো। রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার এই লড়াইয়ে মাঠের খেলার পাশাপাশি বাইরের উত্তেজনাও থাকে তুঙ্গে। রোববার বার্নাব্যুতে অনুষ্ঠিত সবশেষ এল ক্লাসিকোতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ গোলে জয় পেলেও ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার কেন্দ্রে ছিলেন রিয়ালের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল।
ম্যাচ শেষের এই উত্তেজনা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিনি দাবি করেছেন, বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার আচরণের মাধ্যমে তিনি ‘কাউকে অপমান করতে চাননি’। ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘এল ক্লাসিকো এমনই হয়, মাঠের ভেতর ও বাইরে অনেক কিছুই ঘটে। আমরা শান্ত থাকার চেষ্টা করি, কিন্তু সবসময় তা সম্ভব হয় না। আমরা কাউকে আঘাত করতে চাইনি—না বার্সার খেলোয়াড়দের, না তাদের সমর্থকদের। মাঠে নামলে আমাদের নিজেদের দলকে রক্ষা করতে হয়, আজও আমরা সেটাই করেছি।’
রোববারের ম্যাচে ভিনিসিয়ুসকে ৭২ মিনিটে বদলি করা হয়। তখন তিনি বিরক্তি প্রকাশ করে সরাসরি ড্রেসিংরুমে চলে গিয়েছিলেন, যদিও পরে বেঞ্চে ফিরে আসেন। কিন্তু ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর তিনি বার্সার তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়রাও সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। রেফারিকে পরিস্থিতি সামলাতে পাঁচজন খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখাতে হয় এবং রিয়ালের রিজার্ভ গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিনকে লাল কার্ড দেখানো হয়।
জানা গেছে, এই উত্তেজনার শুরুটা হয়েছিল মূলত ম্যাচের আগেই। সম্প্রতি বার্সেলোনার ১৮ বছর বয়সি লামিনে ইয়ামাল এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘রিয়াল মাদ্রিদ সবসময় চুরি করে ও অভিযোগ করে।’ ইয়ামালের এই মন্তব্যে রিয়ালের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শেষে রিয়ালের জয়সূচক গোলদাতা জুড বেলিংহামও ইনস্টাগ্রামে ইয়ামালকে খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, ‘কথা বলা সহজ।’


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন