রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ফের বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা, জানাল আবহাওয়া অফিস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

ফের বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা, জানাল আবহাওয়া অফিস

সারা দেশে গত কয়েকদিন ধরে শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকলেও আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেয়ে শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, আগামী কয়েকদিন দেশের তাপমাত্রা কখনও কমবে, কখনও অপরিবর্তিত থাকবে, আবার কখনও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

তবে সার্বিকভাবে জানুয়ারির শেষ এবং ফেব্রুয়ারির শুরুতে শীতের একটি নতুন ঢেউ আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদগণ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় শীতের অনুভূতি বেশি হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, আগামী ৫ দিনই অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এই সময়ের মধ্যে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। 

এর ফলে রাতে শীতের অনুভূতি কিছুটা বাড়বে। আগামী রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা আবারও সামান্য কমতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা পুনরায় সামান্য বাড়ার আভাস রয়েছে।আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে যে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। 

এই বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির কারণে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে এবং কুয়াশার আধিক্য দেখা দিতে পারে। কুয়াশার কারণে সকালে দৃষ্টিসীমা কমে আসতে পারে, যা যান চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটাতে পারে।সামগ্রিকভাবে, আসছে কয়েকদিন তাপমাত্রার এই ওঠানামা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, তাই বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের প্রতি বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া নির্বাচনি প্রচারণার এই সময়ে শুষ্ক আবহাওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সহায়ক হলেও ভোরের কুয়াশা ও রাতের শীতল বাতাস ভোটারদের উপস্থিতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে।